প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এবার শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে শিক্ষাখাতে জিডিপির বরাদ্দ বাড়িয়ে ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বাংলায় দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও খেলাধুলাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। নৈতিক মানসম্পন্ন ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়ন করা হয়েছে।
তিনি জানান, প্রথম শ্রেণি থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ব্যাগ, স্কুল ইউনিফর্ম ও বিনামূল্যে দুপুরের খাবার দেওয়া হচ্ছে। সরকারের আশা, এসব উদ্যোগের ফলে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি এবং শিক্ষার মান বাড়বে।
খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে প্রথমবারের মতো শিক্ষা সিলেবাসে ‘স্পোর্টস’ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এর অংশ হিসেবে গত জুন মাসে স্কুল শিক্ষার্থীদের নিয়ে সারাদেশে মাসব্যাপী আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্টে ২০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) ‘লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড’ নীতির সঙ্গে সরকারের ৩১ দফা কর্মসূচির ৭৩ শতাংশ কার্যক্রমের সরাসরি এবং ২৭ শতাংশ কার্যক্রমের পরোক্ষভাবে মিল রয়েছে।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে শহর ও গ্রামের উন্নয়ন বৈষম্য কমবে। একই সঙ্গে ২০৩০ এজেন্ডার বিভিন্ন ক্ষেত্রে জবাবদিহিতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।
