কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনার পর চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি প্রশ্ন করেছেন, প্রধানমন্ত্রীর আসনে চাঁদা তোলা কিংবা সম্পত্তি দখলের এমন দুঃসাহস কারা দেখাতে পারে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নাহিদ ইসলাম এ প্রশ্ন তোলেন।
নাহিদ ইসলাম তাঁর পোস্টে বলেন, রাতে জুলাইয়ের রাজপথের সহযোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করা সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে ভাঙচুর করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ভাঙচুর ও লুটপাটের পেছনে দুটি অভিযোগ পাওয়া গেছে—চাঁদা না দেওয়া অথবা সম্পত্তি দখল। তিনি বলেন, এবার ঘটনাটি ঘটেছে প্রধানমন্ত্রীর আসনে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, কোনো স্থাপনা অবৈধ হলে বা কেউ সেটি দখল করে রাখলে তা উদ্ধারের জন্য আইন ও আদালতের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আইনি পথ বাদ দিয়ে সারা দেশে ক্ষমতাসীনদের এমন আচরণ কীসের ইঙ্গিত দিচ্ছে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
নিজের পোস্টে বিএনপির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্বের অভিযোগও করেন নাহিদ ইসলাম। তাঁর দাবি, ৫ আগস্টের বিকেল থেকে এসব শুরু হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী সারা দেশে আগের চাঁদাবাজি ও দখলবাজির সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণ নেয় এবং পরে এর পরিমাণ ও আওতা আরও বেড়েছে।
নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, এসব বিষয়ে সরকারের কাছে বিচার চাওয়া অর্থহীন। তবে তিনি চাঁদাবাজদের জিম্মিদশা থেকে দেশ মুক্ত হবে বলে প্রত্যাশা প্রকাশ করেন।
