বোয়িংয়ের পর এবার এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে আগামী অক্টোবরেই চুক্তি হবে বলে জানিয়েছেন বিমানমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) তিনি এ তথ্য জানান। বিমানমন্ত্রী বলেন, নতুন কেনা উড়োজাহাজগুলো একসঙ্গে দেশে আসবে না। এর আগে বোয়িংয়ের সঙ্গে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছে। এসব উড়োজাহাজের প্রথমটি ২০৩১ সালে দেশে আসবে এবং পর্যায়ক্রমে ২০৩৫-৩৬ সাল পর্যন্ত উড়োজাহাজগুলো দেশে আসবে।
বিমানমন্ত্রী জানান, বোয়িংয়ের সঙ্গে এর আগে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছিল। নতুন ১১টি যুক্ত হওয়ায় মোট ২৫টি বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি ওয়াইড বডি এবং ১০টি ন্যারো বডি উড়োজাহাজ।
চুক্তি অনুযায়ী এসব উড়োজাহাজের জন্য এখনই পুরো অর্থ পরিশোধ করতে হবে না। উড়োজাহাজ পাওয়ার পর অর্থ পরিশোধ করা হবে। বিমান বহর থেকে আয় করে সেই অর্থ পরিশোধের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
বিমানমন্ত্রী বলেন, দেশের এভিয়েশন খাতকে শক্তিশালী করতে বিমান বহর বাড়ানোর বিকল্প নেই। বর্তমানে বিদেশি এয়ারলাইনসগুলো বাংলাদেশের যাত্রী পরিবহনে বড় অংশ দখল করে আছে।
তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বর্তমানে দেশের যাত্রীদের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবহন করতে পারছে। বিমান বহর বাড়ানো গেলে আরও বেশি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করা সম্ভব হবে।
