চীনের ইউনান প্রদেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ গত বছর ১৩০ কোটি ইউয়ান ছাড়িয়েছে। চলতি বছর এ বাণিজ্যে আরও অগ্রগতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে ইউনান প্রাদেশিক পররাষ্ট্রবিষয়ক দপ্তর।
একই সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করে বাংলাদেশ-ইউনান সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) চীনের কুনমিংয়ে ইউনান প্রাদেশিক পররাষ্ট্রবিষয়ক দপ্তরের মহাপরিচালক ইয়াং শাওছেংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের নবনিযুক্ত কনসাল জেনারেল শাহানাজ আখতার রানুর সৌজন্য সাক্ষাতে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইউনান প্রদেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন দুই পক্ষের কর্মকর্তারা।
কনসাল জেনারেল শাহানাজ আখতার রানু বাংলাদেশ ও ইউনানের সম্পর্কের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি শিক্ষা, সংস্কৃতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অর্থনৈতিক খাতে সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনাগুলো কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেন। এসব ক্ষেত্রে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা আরও গভীর ও বিস্তৃত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ইউনান প্রাদেশিক পররাষ্ট্রবিষয়ক দপ্তরের মহাপরিচালক ইয়াং শাওছেং নবনিযুক্ত কনসাল জেনারেলকে অভিনন্দন ও স্বাগত জানান। তিনি জানান, গত বছর ইউনান প্রদেশ ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ১৩০ কোটি ইউয়ান ছাড়িয়েছে। চলতি বছর বাণিজ্যে আরও অগ্রগতি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে কুনমিংয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের চ্যান্সারি নির্ধারিত কনস্যুলার অধিক্ষেত্রে স্থানান্তরের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়।
দুই পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার পাশাপাশি বাংলাদেশ ও ইউনান প্রদেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পর্ক বাড়াতে একযোগে কাজ করার বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছায়।
উল্লেখ্য, শাহানাজ আখতার রানু গত ১২ আগস্ট কুনমিংয়ে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলের কনসাল জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
