যশোর জেলা মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফেরদৌসী বেগম সুন্দরীসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২ অক্টোবর) পৃথক তিনটি নাশকতার মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ২৮ আগস্ট সন্ধ্যায় নিউমার্কেট থেকে পালবাড়ি মোড়ের মধ্যবর্তী সড়কে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তারা পালিয়ে যান। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়। মামলার তদন্তে ফেরদৌসী বেগম সুন্দরীর নাম আসে।
শুক্রবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে পুরাতন কসবা কাঁঠালতলা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে ফেরদৌসী বেগম সুন্দরীকে আটক করা হয়। তিনি ওই এলাকার জাহাঙ্গীর হোসেনের স্ত্রী এবং যশোর জেলা মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।
এ ছাড়া শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপশহর বি-ব্লক বাজার থেকে আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী ও সাবেক ইউপি সদস্য সেলিম ইকবালকে আটক করা হয়। তিনি উপশহর সি-ব্লকের মৃত শাহাদাত হোসেনের ছেলে।
পুলিশের ভাষ্য, গত ৩১ জুলাই রাতে যশোর শহরতলির রাজারহাট পিকনিক কর্নার এলাকায় নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মিছিল করেন। ওই ঘটনায় করা মামলার তদন্তে সেলিম ইকবালের নাম এসেছে।
অন্যদিকে, শুক্রবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে সদর উপজেলার কচুয়া গ্রাম থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মী রবিউল ইসলাম খানকে আটক করা হয়। তিনি জঙ্গলবাঁধাল গ্রামের মৃত নওশের আলী খানের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গত ৬ জুন রাতে সদর উপজেলার জঙ্গলবাঁধাল গ্রামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। এ ঘটনায় করা মামলার তদন্তে রবিউল ইসলাম খানের নাম এসেছে।
আটক তিনজনকে পৃথক নাশকতার মামলায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
