বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এর শীর্ষ ৫০ উদ্ভাবনের তালিকায় ড্যাফোডিল এআইয়ের ছয়টি বাস্তবমুখী প্রযুক্তি-সমাধান স্থান পেয়েছে। এসব উদ্যোগে অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার, স্বাস্থ্যসেবা, মাতৃস্বাস্থ্য, সড়ক অবকাঠামো, রোবোটিক্স ও স্মার্ট অটোমেশনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং আইওটির ব্যবহার তুলে ধরা হয়েছে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মেলায় দেশীয় উদ্ভাবনকে বাস্তবায়ন, বাণিজ্যিক পণ্যে রূপান্তর এবং বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। উদ্যোক্তা ও গবেষকদের পাশে সরকারের থাকার আশ্বাসও দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি ড্যাফোডিল এআইয়ের স্টল পরিদর্শন করেন এবং প্রদর্শিত প্রযুক্তি ও গবেষণাভিত্তিক সমাধান সম্পর্কে অবহিত হন।
স্টল পরিদর্শনের সময় ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা মো. সবুর খান প্রধানমন্ত্রীকে গ্রুপের তৈরি বিভিন্ন এআইভিত্তিক সমাধান সম্পর্কে জানান। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, মানবসম্পদ, অবকাঠামো ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বাস্তব সমস্যা সমাধানে প্রযুক্তি ব্যবহারের দিক তুলে ধরা হয়।
ড. মো. সবুর খান বলেন, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের বাস্তব সমস্যার সমাধানে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। তাদের গবেষণা ও ধারণাকে ব্যবহারযোগ্য এবং বাজারোপযোগী সমাধানে রূপ দেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী প্রদর্শিত সমাধানগুলো আগ্রহ নিয়ে পর্যবেক্ষণ করেন এবং ড্যাফোডিল গ্রুপের এআইভিত্তিক উদ্ভাবনী কার্যক্রমের প্রশংসা করেন।
শীর্ষ ৫০ উদ্ভাবনে স্থান পাওয়া ড্যাফোডিল এআইয়ের ছয়টি সমাধান হলো—ডুয়াল-মোড এফআর ভেহিকল, হোমপিটাল নেক্সাস, পিকোবট, প্যাভ অ্যানালিটিক্স, আইওটি স্মার্ট অটোমেশন এবং দ্য আরবর ভয়েস ফর মাদার্স।
এ ছাড়া এআই প্রফেসর, স্টুডেন্ট৩৬০, অ্যালামনাই৩৬০, পারফেক্ট এইচআর, লিডারশিপওএস ও রেজিস্ট্রারওএসের মাধ্যমে শিক্ষা, মানবসম্পদ এবং প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থাপনায় এআই ব্যবহারের বিভিন্ন ব্যবহারিক মডেলও প্রদর্শন করা হয়েছে।
