প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পরই দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে জাদুঘর
গণ-আন্দোলন ও ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহের স্মৃতি সংরক্ষণে নির্মিত ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’ আগামী ৫ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে জাদুঘরটির কার্যক্রম শুরু হবে এবং একই দিন থেকে এটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
মঙ্গলবার এক প্রতিক্রিয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান। এর আগে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জাদুঘরটি জুলাই মাসের মধ্যেই খুলে দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি মত দেন, কিছু অবকাঠামোগত বা কারিগরি কাজ অসম্পূর্ণ থাকলেও জনসাধারণের জন্য জাদুঘরটি চালু করা যেতে পারে এবং বাকি কাজ পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা সম্ভব।
ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হলে তারাও অংশগ্রহণ করবেন। তিনি মনে করেন, জুলাইয়ের স্মৃতিবিজড়িত ঘটনাগুলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে এই জাদুঘর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এদিকে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জাদুঘর উদ্বোধনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্বোধনী আয়োজন সফল করতে শেষ মুহূর্তের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, জুলাইয়ের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা, আন্দোলনের দলিল, আলোকচিত্র, ব্যক্তিগত স্মারক এবং তথ্যভিত্তিক উপস্থাপনার মাধ্যমে জাদুঘরটি সাজানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামাজিক ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবে।
বিশ্লেষকদের মতে, এমন একটি জাদুঘর শুধু অতীতের স্মৃতি সংরক্ষণই নয়, বরং ইতিহাস গবেষণা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই স্মৃতি জাদুঘর’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে দেশের ইতিহাস সংরক্ষণের একটি নতুন অধ্যায় সূচিত হতে যাচ্ছে। উদ্বোধনের পরপরই সাধারণ মানুষ জাদুঘরটি পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
