যুগপৎ আন্দোলনের শরিক রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুসংহত করতে নৈশভোজের আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মিন্টো রোডের অতিথি ভবন যমুনায় এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, সরকার গঠনের প্রায় পাঁচ মাস পর প্রথমবারের মতো যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের নিয়ে আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী। নৈশভোজকে কেন্দ্র করে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সরকার ও জোটের মধ্যে সমন্বয় এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দলীয় সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, যুগপৎ আন্দোলনের সময় বিএনপির সঙ্গে রাজপথে থাকা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করাই এ আয়োজনের প্রধান লক্ষ্য।
নৈশভোজে অংশ নেওয়ার জন্য বিএনপির আমন্ত্রণ পেয়েছে যুগপৎ আন্দোলনের অধিকাংশ শরিক দল। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে রয়েছেন ১২ দলীয় জোটের নেতারা, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের প্রতিনিধিরা, গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট (এনডিএম) এবং আরও কয়েকটি সহযোগী রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা।
তবে বিএনপির এক সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দুই মিত্র—জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এবং আ স ম আবদুর রবের নেতৃত্বাধীন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি)—এই নৈশভোজে অংশ নিচ্ছে না বলে জানা গেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সরকার গঠনের পর শরিকদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক এই মিলনমেলা জোটের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
