নিবন্ধন অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক পদে দায়িত্ব পেলেন ১২ কর্মকর্তা
ঢাকা, ১৫ জুলাই: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ দেশের বিভিন্ন জেলার ১২ জন জেলা রেজিস্ট্রারকে পদোন্নতি দিয়ে নিবন্ধন অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক, নিবন্ধন (এআইজিআর) পদে নিয়োগ দিয়েছে। সম্প্রতি জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ পদোন্নতির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে নিবন্ধন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের পদোন্নতি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এর আগে সহকারী পরিদর্শক (আইআরঅ্যান্ডএস) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
আইন ও বিচার বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জাতীয় বেতন স্কেলের ষষ্ঠ গ্রেডভুক্ত ৪০ হাজার থেকে ৫৩ হাজার ১৭০ টাকা বেতনমানের আওতায় এসব কর্মকর্তাকে সহকারী মহাপরিদর্শক, নিবন্ধন পদে উন্নীত করা হয়েছে।
পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন বরিশালের মো. মোহছেন মিয়া, চট্টগ্রামের মো. খন্দকার জামীলুর রহমান, পাবনার দীপক কুমার সরকার, ঠাকুরগাঁওয়ের মো. হেলাল উদ্দিন, টাঙ্গাইলের মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, ঢাকার মুনসী মোখলেছুর রহমান, নেত্রকোণার মো. আবদুল মালেক, যশোরের মুহাম্মদ আবু তালেব, ঝালকাঠির মহসীন আলম, নারায়ণগঞ্জের মোহা. আবদুল হাফিজ, খুলনার মো. মিজানুর রহমান এবং জয়পুরহাটের মো. আব্দুল বারী।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, অভিজ্ঞ ও মাঠপর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে দক্ষ কর্মকর্তাদের উচ্চতর পদে পদায়নের মাধ্যমে নিবন্ধন অধিদপ্তরের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। ভূমি ও সম্পত্তি নিবন্ধন-সংক্রান্ত সেবার মানোন্নয়ন, তদারকি কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধিতে এ পদোন্নতি ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, প্রযুক্তিনির্ভর ও জনবান্ধব করতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণ, অনলাইন তথ্যব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে দক্ষ জনবলকে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিবন্ধন খাত দেশের ভূমি ও সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ফলে এ খাতে দক্ষ নেতৃত্ব ও কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা হলে সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি কমবে এবং সেবার মান আরও উন্নত হবে।
আইন ও বিচার বিভাগের এ পদোন্নতি প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি নিবন্ধন অধিদপ্তরের কার্যক্রমে নতুন গতি আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের উচ্চতর দায়িত্ব প্রদান সেবা ব্যবস্থার দক্ষতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
