উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়া, বজ্রপাত এবং ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ উত্তর প্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, শুক্রবার চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক স্থানে এবং দেশের অন্যান্য বিভাগের কিছু কিছু স্থানে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
শনিবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের আশঙ্কা রয়েছে।
৫ জুলাই থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত দেশের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্থায়ী দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং কোথাও কোথাও অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।
আবহাওয়া অফিস আরও জানিয়েছে, আগামী কয়েক দিনে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমতে পারে। রাতের তাপমাত্রাও সামান্য হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে, আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাসেও বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা এবং পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের ঝুঁকি এড়াতে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
:
