টেস্ট ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে এবং টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে নবম স্থানে রয়েছেন ইংল্যান্ডের হ্যারি ব্রুক। বর্তমানে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি—দুই ফরম্যাটের র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দশে থাকা একমাত্র ক্রিকেটার তিনি।
শুধু ব্যাটিং নয়, অধিনায়ক হিসেবেও ব্রুকের সময়টা ভালো যাচ্ছে। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁর দল ২৬টি টি-টোয়েন্টির ২৩টিতে জিতেছে। সর্বশেষ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজেও জয় পেয়েছে ইংল্যান্ড। সিরিজে একটি সেঞ্চুরিসহ ১৭০ রান করে সিরিজসেরা হয়েছেন ব্রুক। এই জয়ের ফলে ভারতকে টপকে টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে উঠেছে ইংল্যান্ড।
বর্তমান টেস্ট ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ে ৮৬১ পয়েন্ট নিয়ে এক নম্বরে আছেন ব্রুক। তাঁর পর রয়েছেন স্টিভ স্মিথ, জো রুট, ট্রাভিস হেড ও টেম্বা বাভুমা।
অন্যদিকে টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ পাঁচ ব্যাটসম্যানদের কেউই বর্তমানে টেস্টে খেলছেন না বা দলে জায়গা পাচ্ছেন না। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ঈশান কিষান, অভিষেক শর্মা, সাহিবজাদা ফারহান, ফিল সল্ট ও ডেভাল্ড ব্রেভিস।
টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি—দুই ভিন্ন ধরনের ক্রিকেটে একই সময়ে সাফল্য ধরে রাখা সহজ নয়। টেস্টে দীর্ঘ সময় ব্যাটিংয়ের জন্য ধৈর্য ও মনোযোগ প্রয়োজন, অন্যদিকে টি-টোয়েন্টিতে দ্রুত রান করে ম্যাচের গতিপথ বদলে দেওয়ার সামর্থ্য দরকার। ব্যস্ত আন্তর্জাতিক সূচির পাশাপাশি বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টের কারণে অনেক ক্রিকেটার দুই ফরম্যাটে নিয়মিত খেলেন না।
শ্রীলঙ্কা সিরিজ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ব্রুক জানান, ইংল্যান্ডের হয়ে যতটা সম্ভব খেলাই তাঁর অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, ‘আমি যতটা সম্ভব ইংল্যান্ডের হয়ে খেলতে চাই। এটাই আমার অগ্রাধিকার। দ্য হানড্রেড ছাড়া কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটেও খেলি না। ফিট থেকে যতটা সম্ভব ইংল্যান্ডের হয়ে খেলতে চাই।’
ইংল্যান্ডের হয়ে খেলার ওপর এই মনোযোগ তাঁকে দুই ফরম্যাটেই নিয়মিত থাকার সুযোগ দিয়েছে। তবে নিয়মিত খেলার পাশাপাশি দুই ফরম্যাটেই উচ্চ পর্যায়ের পারফরম্যান্স করাই তাঁকে আলাদা করে তুলেছে।
