বাংলাদেশে দায়িত্ব শেষে ঢাকা ছাড়ছেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বিদায়ী সাক্ষাতে বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে তার ভূমিকার প্রশংসা করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এ সময় দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাতে হুমায়ুন কবির বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক শক্তিশালী করতে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূতের কার্যক্রম ব্যাপকভাবে দৃশ্যমান হয়েছে। একইসঙ্গে চীনে প্রধানমন্ত্রীর সফল সফরে ইয়াও ওয়েনের অবদানের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, ইয়াও ওয়েনের দায়িত্বকালে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক ‘অংশীদারিত্বমূলক সম্প্রদায়’-এর পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। এ সময়ে প্রতিমন্ত্রী পর্যায়ের ‘২+২’ মেকানিজমসহ কয়েকটি নতুন প্রক্রিয়া চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশে তিন বছর নয় মাস দায়িত্ব পালনকে তার জন্য অত্যন্ত সম্মানের বলে উল্লেখ করেন। তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং এটিকে বাংলাদেশের জন্য গর্বের মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রায় চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলেও পুনর্ব্যক্ত করেন ইয়াও ওয়েন। তিনি জানান, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী চলতি বছরের শেষ দিকে বাংলাদেশ সফরে আগ্রহী।
ইয়াও ওয়েন বলেন, ওই মন্ত্রীর বাংলাদেশের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তার বাবা অতীতে বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং সে সময় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছিলেন।
সাক্ষাতে হুমায়ুন কবির বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি তিনি রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের নতুন কর্মস্থলে সাফল্য কামনা করেন।
