চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে বড় জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। ওল্ড ট্রাফোর্ডে নতুন দল সাবাহ এফকেকে ৪–০ গোলে হারিয়েছে ইংলিশ ক্লাবটি। একই রাতে বায়ার্ন মিউনিখ ৫–০ গোলে হারিয়েছে বোডো/গ্লিমটকে। আর চ্যাম্পিয়নস লিগে অভিষেক ম্যাচেই লাইপজিগকে ৪–১ গোলে হারিয়ে স্মরণীয় শুরু করেছে ইতালিয়ান ক্লাব কোমো।
সর্বশেষ দুই মৌসুমে চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার সুযোগ পায়নি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। গত মৌসুমে ইউরোপের কোনো স্তরের প্রতিযোগিতাতেও ছিল না দলটি। এবার চ্যাম্পিয়নস লিগে ফিরেই বড় জয় পেয়েছে মাইকেল ক্যারিকের দল।
সাবাহর বিপক্ষে ইউনাইটেডের হয়ে গোল করেন মাতেউস কুনিয়া, ব্রুনো ফার্নান্দেজ, বেনইয়ামিন সেসকো ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। ২৭ মিনিটে প্যাট্রিক ডরগুর ক্রস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন কুনিয়া। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগে তিন মিনিটের ব্যবধানে আরও দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ইউনাইটেড।
টিলেমান্সের পাস থেকে দ্বিতীয় গোলটি করেন অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেজ। এরপর এমবেউমোর পাস কাজে লাগিয়ে গোল করেন সেসকো। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সাবাহর গোলরক্ষকের ভুলের সুযোগ নিয়ে দলের চতুর্থ গোলটি করেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ।
প্রিমিয়ার লিগে ইউনাইটেডের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি। হাল সিটি, ইপসউইচ ও এভারটনের বিপক্ষে প্রথম তিন ম্যাচে দলটির সংগ্রহ চার পয়েন্ট। তবে চ্যাম্পিয়নস লিগে সহজ জয় দিয়ে ম্যানচেস্টার ডার্বির আগে প্রস্তুতি সেরেছে তারা।
বায়ার্ন মিউনিখও ঘরের মাঠে বড় জয় পেয়েছে। বোডো/গ্লিমটের বিপক্ষে প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে পাঁচ গোল করেছে ছয়বারের চ্যাম্পিয়নরা।
৪৭ মিনিটে জামাল মুসিয়ালা গোল করে বায়ার্নকে এগিয়ে দেন। ৬০ মিনিটে হ্যারি কেইন হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। এরপর আলফনসো ডেভিস গোল করে স্কোর ৩–০ করেন। ম্যাচের শেষ দিকে মাইকেল ওলিসে দুটি গোল করে বায়ার্নের বড় জয় নিশ্চিত করেন।
অন্যদিকে, চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথম ম্যাচেই জয় পেয়েছে কোমো। ঘরের মাঠে লাইপজিগকে ৪–১ গোলে হারিয়েছে সেস্ক ফ্যাব্রেগাসের দল। ১৫ মিনিটে মার্তিন বাতুরিনার গোলে শুরু হয় কোমোর গোল উৎসব। এরপর তাসো দুভিকাস ও আসানে দিয়াওয়ের গোলে ৩–০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। লাইপজিগের হয়ে অ্যান্ড্রিজা মাকসিমোভিচ একটি গোল শোধ করলেও যোগ করা সময়ে মাক্সিমো পেরোনের গোলে ৪–১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে কোমো।
এদিনের অন্য ম্যাচে ফেনেরাবাচের সঙ্গে ১–১ গোলে ড্র করেছে রোমা। পিএসভি আইন্দহফেন ও শাখতার দোনেৎসকের ম্যাচও একই ব্যবধানে ড্র হয়েছে। আর যোগ করা সময়ে দুটি গোল করে স্লাভিয়া প্রাগকে ৩–২ গোলে হারিয়েছে ফরাসি ক্লাব লাঁস।
