নারী এশিয়া কাপের প্রথম সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৪০ রানে হেরে ফাইনালে ওঠার সুযোগ হারিয়েছে বাংলাদেশ। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ম্যাচটিতে প্রথমে ব্যাট করে ভারত ৬ উইকেটে ১৪৯ রান করে। জবাবে বাংলাদেশ ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রান করে।
এ নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে হারল বাংলাদেশ। ভারতের দেওয়া ১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ধীরগতিতে ব্যাট করেছে বাংলাদেশ। দিলারা আক্তার ও জুয়াইরিয়া ফেরদৌসের উদ্বোধনী জুটি ২৬ রান তুললেও এ জন্য খেলেছে ৩৩ বল।
পরে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে তেমন গতি আসেনি। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২২ রান করেন স্বর্ণা আক্তার। তিনি ১৮ বলে অপরাজিত এই ইনিংস খেলেন। দিলারা আক্তার করেন ২১ রান এবং অধিনায়ক নিগার সুলতানা করেন ১৯ রান।
এর আগে টস জিতে ভারতকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান বাংলাদেশের অধিনায়ক নিগার সুলতানা। টুর্নামেন্টে ভালো বোলিংয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে ভারতকে কম রানে আটকে রাখাই ছিল বাংলাদেশের লক্ষ্য।
তবে ফিল্ডিংয়ে একাধিক সুযোগ নষ্ট করে বাংলাদেশ। ভারতের ওপেনার শেফালি বর্মা ৪০ বলে ৬৪ রানের ইনিংস খেলেন। তাঁর ক্যাচ মোট তিনবার ফেলেছে বাংলাদেশ। ৬ রানে ফাহিমা খাতুন এবং ১১ রানে নাহিদা আক্তার তাঁর ক্যাচ ছাড়েন। পরে ৫৬ রানের সময় স্বর্ণা আক্তারও শেফালির ক্যাচ ফেলেন।
সুযোগ পাওয়ার পর শেফালি আরও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। ৩৫ বলে ক্যারিয়ারের ২০তম ফিফটি পূর্ণ করেন তিনি। পরে সুলতানা খাতুনকে টানা তিনটি বাউন্ডারি মারার পর চতুর্থ বলে ফারজানা ইয়াসমিনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শেফালি।
ভারতের ইনিংসে হারমানপ্রীত কৌর অপরাজিত ২৪ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে সুলতানা খাতুন ৩০ রানে ২ উইকেট নেন।
ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের অধিনায়ক নিগার সুলতানা ক্যাচ মিসের পাশাপাশি বোলিংয়ে ভালো করতে না পারা এবং পাওয়ার প্লেতে পর্যাপ্ত রান তুলতে না পারাকে হারের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর: ভারত ২০ ওভারে ১৪৯/৬—শেফালি বর্মা ৬৪, হারমানপ্রীত কৌর ২৪*; সুলতানা খাতুন ২/৩০। বাংলাদেশ ২০ ওভারে ১০৯/৭—স্বর্ণা আক্তার ২২*, দিলারা আক্তার ২১, নিগার সুলতানা ১৯; দীপ্তি ৩/২৬। ভারত ৪০ রানে জয়ী। ম্যাচসেরা শেফালি বর্মা।
