সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন চাঁদপুরের তামান্না। নিজ উপজেলা মতলব দক্ষিণের মেধাতালিকায় প্রথম এবং পুরো চাঁদপুর জেলায় ১১তম স্থান অর্জন করেও নিয়োগপত্র পাননি তিনি।
তামান্নার দাবি, পুলিশ ও এনএসআইয়ের ভেরিফিকেশনে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে এবং এর পেছনে তাকে ‘পলিটিক্যাল ট্যাগ’ দেওয়ার বিষয়টি কাজ করেছে। তবে তিনি ও তার পরিবারের কেউ কখনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না বলে দাবি করেছেন।
তামান্নার ভাষ্য অনুযায়ী, নিয়োগ প্রক্রিয়ার সব ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন করার পর তিনি প্রায় আট মাস অপেক্ষায় ছিলেন। ২৪ সেপ্টেম্বর তার নামে নিয়োগপত্র ইস্যু হয়নি বলে জানতে পারেন। এর কারণ হিসেবে পুলিশ ও এনএসআইয়ের ভেরিফিকেশনে বাদ পড়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
তিনি জানান, বৃন্দাবন সরকারি কলেজ, হবিগঞ্জের ইংরেজি বিভাগ থেকে অনার্সে ফার্স্ট ক্লাস এবং বিভাগে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। পরে সরকারি তোলারাম কলেজ, নারায়ণগঞ্জ থেকে মাস্টার্সে ফার্স্ট ক্লাস ও বিভাগে প্রথম হন।
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি মতলব দক্ষিণ উপজেলার মেধাতালিকায় প্রথম এবং চাঁদপুর জেলায় ১১তম হন।
ভেরিফিকেশনে বাদ পড়ার পর তামান্না নিজের ফেসবুক আইডিতে হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি চাকরির জন্য দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের পর নিয়োগ থেকে বাদ পড়ার বিষয়টি তুলে ধরেন।
পোস্টে তিনি বলেন, তার একাডেমিক ফল ভালো হওয়া সত্ত্বেও এবং নিয়োগের সব ধাপ পেরিয়ে যাওয়ার পরও তাকে রাজনৈতিক পরিচয়ের অভিযোগে বাদ দেওয়া হয়েছে।
তামান্না আরও দাবি করেন, তিনি বা তার পরিবারের কোনো সদস্য কখনো রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
ভেরিফিকেশনে বাদ পড়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি মেধার মূল্যায়ন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।
