আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ভারতের বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার খুব কাছে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ২ রানে হেরেছে জাপান। ৫ ওভারের সংক্ষিপ্ত ম্যাচে ভারত ৩৩ রানের লক্ষ্য দিলেও জাপান ৩ উইকেট হারিয়ে ৩০ রান করতে পেরেছে।
জাপানের সানো ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বৃষ্টিতে ভেজা আউটফিল্ডের কারণে ম্যাচটি ৫ ওভারে নামিয়ে আনা হয়। শুরু থেকেই উইকেটে স্পিনাররা বড় টার্ন পেয়েছেন। ম্যাচের ১০ ওভারই করেছেন স্পিনাররা। ধীরগতির আউটফিল্ডের কারণে ভারতের করা ৩২ রানও জাপানের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে ওঠে।
ভারতের ইনিংসে শুরু থেকেই জাপানের বোলাররা চাপ তৈরি করেন। অধিনায়ক কেনডেল কাদাওয়াকি-ফ্লেমিং তিনজন স্পিনারকে দিয়ে বোলিং করান। তাঁদের বোলিংয়ের সামনে ভারতের ব্যাটিংও বেশ চাপে পড়ে।
অভিষেক শর্মা ইনিংসের প্রথম বলেই চার্লি হারা হিঞ্জের বলে আউট হন। সর্বশেষ দুই টি-টোয়েন্টিতে ফিফটি করা সঞ্জু স্যামসন ৭ বলে ৯ রান করে ইব্রাহিম তাকাহাসির বলে আউট হন। ভারতের ৩২ রানের ইনিংসে সর্বোচ্চ ১৬ রান আসে অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারের ব্যাট থেকে, তিনি ১২ বলে এই রান করেন।
জাপানের রান তাড়ার সময় ভারতের রবি বিষ্ণোই তৃতীয় ওভারে ১০ রান দেওয়ার পর জাপান কিছুটা আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে। শেষ দুই ওভারে তাদের প্রয়োজন ছিল ১৬ রান। একপর্যায়ে সমীকরণ দাঁড়ায় ৮ বলে ৮ রান। কিন্তু ওয়াশিংটন সুন্দর ও অক্ষর প্যাটেলের বোলিংয়ে শেষ পর্যন্ত সেই রান তুলতে পারেনি জাপান।
এই জয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ২০০তম জয় পেল ভারত। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ২০০ ম্যাচ জেতা প্রথম দলও হলো তারা।
ভারত ও জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ম্যাচটি আয়োজন করা হয়। খেলাধুলার মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক ও মানুষে মানুষে যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করাই ছিল এর লক্ষ্য। ম্যাচটির মাধ্যমে জাপানের কন্ডিশনের সঙ্গেও কিছুটা মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে ভারত।
এদিকে এশিয়ান গেমসের ২০তম আসর এবার জাপানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গেমসে ক্রিকেট শুরু হয়েছে ১৯ সেপ্টেম্বর। ভারত সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠায় গ্রুপ পর্বে খেলছে না। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর কোয়ার্টার ফাইনালে মাঠে নামবে ভারত। তবে তাদের প্রতিপক্ষ এখনো নির্ধারিত হয়নি।
