সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে কোনো মামলা থাকলে তা তদন্ত করে দেখা হবে এবং সেসব মামলা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কি না, সেটিও যাচাই করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী সেপ্টেম্বরে সংসদ অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর সিরডাপে আয়োজিত মানবাধিকারবিষয়ক এক পরামর্শ সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে কোনো মামলা থাকলে সেগুলো যথাযথভাবে খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি মামলাগুলোর পেছনে কোনো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কারণ রয়েছে কি না, তাও যাচাই করা হবে।
নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী জানান, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য আগামী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত সময় রয়েছে। তবে আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় সংসদ অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবে বলে সরকার আশাবাদী। এ কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য আলাদা কোনো বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের প্রয়োজন হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সভায় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়েও বক্তব্য দেন আইনমন্ত্রী। তার দাবি, গত কয়েক মাসে দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। তিনি আরও জানান, মানবাধিকার কমিশন আইন এবং গুম কমিশন-সংক্রান্ত আইন পরবর্তী মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।
উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সংবিধান অনুযায়ী তার মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা থাকলেও স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে তিনি মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় দুই বছর আগেই পদত্যাগ করেন।
সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।
