বিগত ১৭ বছরে ধ্বংস ও ‘পলিউটেড’ হয়ে যাওয়া প্রশাসন পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান। প্রশাসনকে কার্যকর ও জনবান্ধব করতে দীর্ঘদিনের জঞ্জাল পরিষ্কারে কিছুটা সময় প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ জন্য দেশবাসীকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান প্রয়াত কাজী জাফর আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম খান এসব কথা বলেন। জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) এ স্মরণসভার আয়োজন করে।
নজরুল ইসলাম খান বলেন, গত ১৭ বছরে প্রশাসন ধ্বংস ও ‘পলিউটেড’ হয়েছে। সেটি পুনর্গঠনের কাজ শুরু হয়েছে। প্রশাসনকে কার্যকর ও জনবান্ধব করতে দীর্ঘদিনের জঞ্জাল পরিষ্কার করতে সময় প্রয়োজন।
স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী মোস্তফা জামাল হায়দার। তিনি বলেন, দেশের সামনে নানা ধরনের সমস্যা ও সংকট দেখা দিয়েছে। এসব সমস্যা সমাধানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চেষ্টা করছেন।
মোস্তফা জামাল হায়দার আরও বলেন, সংকট মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা জরুরি। বিশেষ করে ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর মধ্যে বৃহত্তর ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
স্মরণসভায় জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর)-এর মহাসচিব কাজী মো. নাহিদ, কো-চেয়ারম্যান আহসান হাবীব লিংকন, নওয়াব আলী আব্বাস খান, প্রেসিডিয়াম সদস্য মোস্তফা জুবায়ের হায়দার ও সেলিম মাস্টার, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন পারভেজ, জমিয়তে উলামায়ে বাংলাদেশ-এর মহাসচিব মহিউদ্দিন একরামসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য দেন।
এ ছাড়া প্রয়াত কাজী জাফর আহমেদের কন্যা কাজী জয়া, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আব্দুল্লাহ চৌধুরী পাশা, জাতীয় যুব সংহতির আহ্বায়ক নিজাম উদ্দিন সরকার, জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক মামুন আসিফ ভূঁইয়া, জাতীয় ছাত্র সমাজের আহ্বায়ক কাজী ফয়েজ আহমেদ ও সদস্যসচিব মেহেদি হাসান অভি প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
