দেশের খাদ্য মজুদ ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সারাদেশে পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী। খাদ্যশস্য নিয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম কিংবা দায়িত্ব পালনে গাফিলতি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার ধানকোড়া এলাকায় আয়োজিত এক গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বন্যাসহ যেকোনো দুর্যোগ বা জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ নিশ্চিত করা হবে। খাদ্যের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করাই বর্তমানে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রধান চ্যালেঞ্জ।
সাধারণ মানুষের কাছে নিরাপদ খাদ্য পৌঁছে দিতে স্থানীয় পর্যায়সহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সারের অপ্রতুলতার কারণে খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে সারের কোনো সংকট নেই। তবে সার সরবরাহ ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু ব্যবস্থাপনা সমস্যা রয়েছে। এসব সমস্যা দূর করতে সরকার কাজ করছে বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে ‘ওয়াই টাইপ পদ্মা সেতু’ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীও এতে সম্মতি দিয়েছেন বলে জানান তিনি।
এর আগে খাদ্যমন্ত্রী তাঁর প্রয়াত পিতা হারুনার রশিদ খান মুন্নুর স্মরণে আয়োজিত একটি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। পরে ধানকোড়া ইউনিয়ন বিএনপির পক্ষ থেকে তাঁকে গণসংবর্ধনা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে মানিকগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. আইভী ফেরদৌসী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, সাটুরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস খান মাখন, ড্যাবের মানিকগঞ্জ জেলা সভাপতি ডা. জিয়াউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ডা. বদরুল আলম চৌধুরীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শেষে খাদ্যমন্ত্রী মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার নবগ্রাম থেকে জাগীর মেঘশিমুল পর্যন্ত কার্পেটিং সড়কের উদ্বোধন করেন।
