ঢাকা: স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে আগ্রহী শিক্ষকদের আগে চাকরি থেকে পদত্যাগ করতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা এএনএম এহসানুল হক মিলন।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়নের জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এহসানুল হক মিলন বলেন, বর্তমানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন, যা শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের প্রশ্নে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা তৈরি করতে পারে। এ কারণে শিক্ষকদের নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় না যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, কোনো শিক্ষক যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তাহলে তাকে আগে শিক্ষকতার পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হবে। বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচন কমিশনের একটি স্পষ্ট নির্দেশিকা থাকা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
উপদেষ্টার মতে, শিক্ষা পেশার মর্যাদা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে শিক্ষকদের রাজনৈতিক বা নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা থাকা জরুরি।
ঢাকা: স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে আগ্রহী শিক্ষকদের আগে চাকরি থেকে পদত্যাগ করতে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা এএনএম এহসানুল হক মিলন।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়নের জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
এহসানুল হক মিলন বলেন, বর্তমানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষক স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন, যা শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের প্রশ্নে বিভিন্ন ধরনের জটিলতা তৈরি করতে পারে। এ কারণে শিক্ষকদের নির্বাচনী প্রতিযোগিতায় না যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, কোনো শিক্ষক যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে চান, তাহলে তাকে আগে শিক্ষকতার পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হবে। বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে বাস্তবায়নের জন্য নির্বাচন কমিশনের একটি স্পষ্ট নির্দেশিকা থাকা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
উপদেষ্টার মতে, শিক্ষা পেশার মর্যাদা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে শিক্ষকদের রাজনৈতিক বা নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা থাকা জরুরি।
