হলিউড অভিনেত্রী অ্যান হ্যাথাওয়ের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তাঁর চেহারা ও স্টাইলের পরিবর্তন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন বিনোদনভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিএমজেড তাঁর অতীত ও বর্তমানের ছবি প্রকাশ করে প্রশ্ন তুলেছে—এই তারকার তারুণ্য ধরে রাখার পেছনে কি শুধু জিনগত বৈশিষ্ট্য, নাকি চিকিৎসাবিজ্ঞানের কোনো সহায়তাও রয়েছে?
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত দ্য প্রিন্সেস ডায়েরিজ ছবির প্রিমিয়ারে অংশ নেওয়ার সময় মাত্র ১৮ বছর বয়সী অ্যান হ্যাথাওয়ের একটি ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। সেই ছবিতে তরুণী অভিনেত্রীকে আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতিতে দেখা যায়।
অন্যদিকে, প্রায় ২৫ বছর পর চলতি মাসে ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত দ্য ওডিসি–এর ফটোকলে অংশ নেওয়া অ্যান হ্যাথাওয়ের সাম্প্রতিক ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে ৪৩ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীকে উজ্জ্বল ও পরিপাটি উপস্থিতিতে দেখা যায়।
টিএমজেডের প্রতিবেদনে বলা হয়, ফ্যাশন ও ব্যক্তিত্বের কারণে অ্যান হ্যাথাও দীর্ঘদিন ধরেই ভক্তদের নজরে রয়েছেন। তাঁর স্টাইল, শারীরিক গঠন এবং বয়সের তুলনায় তরুণ দেখানোর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও প্রায়ই আলোচনার জন্ম দেয়।
প্রতিবেদনটিতে পাঠকদের উদ্দেশে প্রশ্ন রাখা হয়েছে—অভিনেত্রীর বয়সকে হার মানানো এই উপস্থিতির পেছনে কি শুধুই “Good Genes” বা ভালো জিনগত বৈশিষ্ট্য কাজ করেছে, নাকি “Good Docs” অর্থাৎ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা বা সৌন্দর্যচর্চারও কোনো ভূমিকা রয়েছে?
তবে এ বিষয়ে অ্যান হ্যাথাও নিজে কোনো মন্তব্য করেননি এবং প্রতিবেদনে তাঁর পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্যও উল্লেখ করা হয়নি।
অস্কারজয়ী এই অভিনেত্রী দ্য প্রিন্সেস ডায়েরিজ, দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা, লে মিজারেবলসসহ একাধিক জনপ্রিয় চলচ্চিত্রে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করেছেন। তাঁর সাম্প্রতিক উপস্থিতি আবারও ভক্ত ও বিনোদন অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে।
