আগামীর বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক ও কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিনের শাসনে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতিসহ দেশের বিভিন্ন খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন এসব খাত পুনর্গঠনে সরকার কাজ করছে।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে দেশের প্রথম এসডিজি ভিলেজ পাইলট প্রোগ্রামের আওতায় নির্বাচিত তিনটি গ্রামের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। কর্মসূচির জন্য নির্বাচিত গ্রামগুলো হলো—দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর, খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী এবং রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিংগাছড়ি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেড় দশকের বেশি সময়ের ফ্যাসিবাদী শাসনে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতিসহ দেশের প্রায় সব খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এখন সেসব খাত পুনর্গঠনের সময় এসেছে। বর্তমান সরকার সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, এসডিজির লক্ষ্য অর্জন কোনো একটি মন্ত্রণালয় বা বিভাগের একক প্রচেষ্টায় সম্ভব নয়। এ জন্য সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত সহযোগিতা প্রয়োজন।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের পাশাপাশি দেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
এসডিজি ভিলেজ পাইলট কর্মসূচির মাধ্যমে নির্বাচিত গ্রামগুলোতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার বিভিন্ন দিক বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও সমন্বিত ও কার্যকর করার লক্ষ্য রয়েছে।
