T TIME NEWS (6)
‘টয় স্টোরি ৫’-এর ঝড়ো সূচনা, ফ্র্যাঞ্চাইজির ইতিহাসে সর্বোচ্চ উদ্বোধনী আয়

‘টয় স্টোরি ৫’-এর ঝড়ো সূচনা, ফ্র্যাঞ্চাইজির ইতিহাসে সর্বোচ্চ উদ্বোধনী আয়

 

বিশ্বজুড়ে মুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তেই বক্স অফিসে রেকর্ড গড়েছে ডিজনি ও পিক্সারের নতুন অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র ‘টয় স্টোরি ৫’। জনপ্রিয় এই ফ্র্যাঞ্চাইজির পঞ্চম কিস্তি বিশ্বব্যাপী ৩০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি আয় করে সিরিজটির ইতিহাসে সবচেয়ে সফল উদ্বোধনী সপ্তাহান্তের স্বীকৃতি পেয়েছে।

গত ১৯ জুন মুক্তি পাওয়া ছবিটিতে আবারও দেখা গেছে দর্শকপ্রিয় চরিত্র উডি, জেসি ও বাজ লাইটইয়ারকে। তবে এবার তাদের প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো খেলনা নয়; বরং আধুনিক প্রযুক্তির প্রতীক একটি ডিজিটাল ট্যাবলেট, যা গল্পে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

প্রথম সপ্তাহান্তেই উত্তর আমেরিকার বাজার থেকে প্রায় ১৬০ মিলিয়ন ডলার এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ১৫০ মিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে ছবিটি। বিশ্লেষকদের মতে, চলতি বছরে উদ্বোধনী আয় বিবেচনায় এটি দ্বিতীয় বৃহত্তম সাফল্য। শীর্ষস্থানে রয়েছে ‘দ্য সুপার মারিও গ্যালাক্সি মুভি’, যা ইতোমধ্যে এক বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছে।

প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত ‘টয় স্টোরি ৫’-এর জন্য এটি অত্যন্ত ইতিবাচক সূচনা। কারণ চলচ্চিত্র শিল্পে সাধারণত বিপণন ও অন্যান্য খরচ বিবেচনায় একটি ছবিকে লাভজনক হতে নির্মাণ ব্যয়ের অন্তত দ্বিগুণ আয় করতে হয়।

পিক্সারের ইতিহাসে সফলতার নজির নতুন নয়। স্টুডিওটির বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় চলচ্চিত্র, বিশেষ করে সিক্যুয়েলভিত্তিক নির্মাণ, বক্স অফিসে এক বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। ‘দ্য ইনক্রেডিবলস ২’ এবং ‘ইনসাইড আউট ২’ তার উল্লেখযোগ্য উদাহরণ।

তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পিক্সার ও ডিজনি কিছুটা কঠিন সময়ও পার করেছে। ‘এলিও’ এবং ‘লাইটইয়ার’-এর মতো কয়েকটি বড় বাজেটের চলচ্চিত্র প্রত্যাশিত সাফল্য পায়নি। একইভাবে ডিজনির স্টার ওয়ার্সভিত্তিক প্রকল্প ‘দ্য ম্যান্ডালোরিয়ান অ্যান্ড গ্রোগু’ এখনো তার ব্যয় পুরোপুরি তুলতে পারেনি।

কোভিড-পরবর্তী সময়ে বিশ্ব চলচ্চিত্র বাজারে দর্শকের আচরণে বড় পরিবর্তন এসেছে। নেটফ্লিক্স ও ডিজনি প্লাসের মতো স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের জনপ্রিয়তা বাড়ায় প্রেক্ষাগৃহমুখী দর্শকের সংখ্যা কমেছে। ফলে অনেক বড় বাজেটের ছবিই প্রত্যাশিত ব্যবসা করতে ব্যর্থ হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে ‘টয় স্টোরি ৫’-এর সাফল্য ডিজনি ও পিক্সারের জন্য স্বস্তির বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ১৯৯৫ সালে প্রথম ‘টয় স্টোরি’ মুক্তির পর থেকে সিরিজটি বিশ্বব্যাপী ৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি আয় করেছে। কম্পিউটার অ্যানিমেশনের নতুন যুগের সূচনা করা এই ফ্র্যাঞ্চাইজি এখনও দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, বর্তমান গতি অব্যাহত থাকলে ‘টয় স্টোরি ৫’ও এক বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে জায়গা করে নিতে পারে এবং ২০২৬ সালের অন্যতম সফল অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রে পরিণত হতে পারে।

এই সংস্করণটি সম্পূর্ণ মৌলিক ভাষায় লেখা হয়েছে এবং সংবাদপত্র, অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও SEO প্রকাশনার জন্য উপযোগী করে সাজানো হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *