স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে যখন মেতেছিলেন ফুটবলার ও সমর্থকেরা, তখন ফাইনাল-পরবর্তী উদ্যাপনে আলাদা করে নজর কেড়েছেন লামিনে ইয়ামালের ছোট ভাই কেইনে ইয়ামাল। পুরস্কার বিতরণীর আগে মাঠজুড়ে তাঁর নানা দুষ্টুমি, খুনসুটি ও আনন্দঘন মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্পেন ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে মাঠের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে ওঠেন লামিনে ইয়ামালের ছোট ভাই কেইনে ইয়ামাল। খেলোয়াড় কিংবা কোচিং স্টাফের সদস্য না হয়েও বিশ্বকাপজুড়ে আলোচনায় থাকা এই শিশুকে ফাইনালের পর দেখা যায় মাঠের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়াতে এবং উৎসবের অংশ হতে।
ফাইনাল শেষে বল পায়ে নিয়ে খেলায় মেতে ওঠেন কেইনে। কখনো দূরপাল্লার শট নেওয়ার ভঙ্গি, কখনো আবার খালি পোস্টে গোল করার আনন্দ—সব মিলিয়ে নিজের মতো করে উদ্যাপন করেন তিনি।
ভাই লামিনে ইয়ামালের সঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি ট্রফি জয়ের আনন্দ ভাগ করে নিতেও দেখা যায় তাঁকে। একপর্যায়ে ভাইয়ের গলায় ঝোলানো পদক ও অন্যান্য সামগ্রী কৌতূহল নিয়ে দেখতেও দেখা যায়।
উদ্যাপনের মাঝেই গোলপোস্টের জাল সংগ্রহের ঘটনাও নজর কাড়ে। স্পেনের ফুটবলার মিকেল ওইয়ারসাবাল যখন স্মারক হিসেবে জালের অংশ কেটে নিচ্ছিলেন, তখন কেইনেও সেটির প্রতি আগ্রহ দেখান। পরে ছেঁড়া জাল নিয়ে মাঠে খেলার দৃশ্যও ক্যামেরায় ধরা পড়ে।
মাঠে দায়িত্ব পালনরত নিউইয়র্ক পুলিশের এক সদস্যের সঙ্গে খুনসুটিতেও মেতে ওঠেন কেইনে। একপর্যায়ে ওই পুলিশ সদস্য নিজের ক্যাপ খুলে তাঁর মাথায় পরিয়ে দেন, যা উপস্থিত দর্শক ও আলোকচিত্রীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
ফটোগ্রাফারদের ভিড়ের মধ্যেও নির্ভারভাবে খেলায় মনোযোগী ছিলেন তিনি। কখনো বল নিয়ে একা দৌড়েছেন, কখনো আবার সমবয়সী আরেক শিশুর সঙ্গে খেলায় মেতে উঠেছেন।
বিশ্বকাপ ফাইনালের আনুষ্ঠানিকতা ও শিরোপা উদ্যাপনের ভিড়েও কেইনের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি এবং শিশুসুলভ উচ্ছ্বাস দিনটির অন্যতম আনন্দঘন দৃশ্যে পরিণত হয়। স্পেনের জয়ের রাতে মাঠে তাঁর এসব মুহূর্তই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে বিশেষভাবে আলোচিত হয়েছে।
