দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা। সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১০টা থেকে নতুন মূল্য কার্যকর হয়েছে।
সোমবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ (পিওর গোল্ড)-এর দাম বৃদ্ধির কারণে সার্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম হবে ২ লাখ ২৩ হাজার ৭৪ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৩ হাজার ৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্য কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা ও কারুকাজ অনুযায়ী মজুরি আলাদাভাবে নির্ধারিত হবে। পাশাপাশি স্বর্ণ ও রৌপ্য অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভ্যাট আদায় করা যাবে না। অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে আগের নিয়মই বহাল থাকবে।
এর আগে সর্বশেষ গত ২৪ জুলাই বাজুস স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল। সে সময় ভরিতে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। একই সময়ে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি ২ লাখ ১০ হাজার ৯৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ২০০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি ১ লাখ ৪৮ হাজার ১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত ৯৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৬ বার দাম বেড়েছে, ৪৮ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বৃদ্ধি এবং ২৯ বার দাম হ্রাস করা হয়।
