লিওনেল মেসির জোড়া গোলে লিগস কাপে আতলেতিকো সান লুইসকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি। ম্যাচের শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও দ্রুত ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় নিশ্চিত করে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লাবটি। এই জয়ের পাশাপাশি লিগস কাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনও দখল করেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
বুধবার নিউ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে বজ্রপাতের কারণে খেলা প্রায় ৩০ মিনিট বন্ধ ছিল। বিরতির আগে ১১ ও ৪৪ মিনিটে দুটি গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মেসি।
এই দুই গোলের মাধ্যমে লিগস কাপে ১২ ম্যাচে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪। চার বছরের টুর্নামেন্ট ইতিহাসে এটি সর্বোচ্চ। তিনি লস অ্যাঞ্জেলেস এফসির ডেনিস বোয়াঙ্গার ১৩ গোলের রেকর্ড ছাড়িয়ে নতুন কীর্তি গড়েছেন।
মেসির পাশাপাশি ইন্টার মায়ামির হয়ে একটি করে গোল করেন তেলাস্কো সেগোভিয়া ও ডিফেন্ডার মাইকায়েল। দলের চার গোলের মধ্যে তিনটিতেই অবদান রাখেন নোয়াহ অ্যালেন, যিনি করেন তিনটি অ্যাসিস্ট। এই জয়ের ফলে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা আট ম্যাচ অপরাজিত থাকল ইন্টার মায়ামি।
ক্লাব বিশ্বকাপ শেষে এটি ছিল মেসির দ্বিতীয় ম্যাচ এবং প্রথমবারের মতো শুরুর একাদশে ফেরা। এর আগে কলম্বাস ক্রুর বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে তিনি বদলি হিসেবে নেমে ৩৭ মিনিট খেলেছিলেন।
এদিন অবশ্য ম্যাচের শুরু থেকেই নিজের ছাপ রাখেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই ফুটবলার। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে ডেভিড রদ্রিগেজের গোলে এগিয়ে যায় আতলেতিকো সান লুইস। তবে সাত মিনিট পর নোয়াহ অ্যালেনের লম্বা পাস থেকে গোল করে সমতা ফেরান মেসি। প্রথমার্ধের শেষদিকে আরও একটি গোল করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। পরে যোগ করা সময়ে মাইকায়েলের হেডে করা গোলেও অ্যাসিস্ট করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেওয়ার পর প্রথম মৌসুমেই ক্লাবটিকে লিগস কাপের শিরোপা জেতান মেসি। গত মৌসুমেও দলটি ফাইনালে উঠলেও সিয়াটলের কাছে ৩-০ গোলে হেরে রানার্সআপ হয়েছিল।
