আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষ্যে গুম কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবিতে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট।
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষ্যে সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা শুরু করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যজোট। রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে রাজধানীর বাংলামোটর থেকে ‘বাংলাদেশ গুম প্রতিরোধ দিবস পালন জাতীয় কমিটি’র ব্যানারে এ পদযাত্রা শুরু হয়।
পদযাত্রায় অংশ নেওয়া নেতাকর্মীদের সংসদে গিয়ে স্পিকারের কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়ার কথা রয়েছে। স্মারকলিপিতে অন্তর্বর্তী সরকারের গুম কমিশনের প্রতিবেদনে দেওয়া সুপারিশগুলো কোনো পরিবর্তন ছাড়াই আইনে পরিণত করাসহ বিভিন্ন সময়ে গুমের শিকার ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানানো হবে।
পদযাত্রার আগে বিকেল ৩টার দিকে বাংলামোটরে রূপায়ণ ট্রেড সেন্টারের সামনে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ জাতীয় কমিটির উদ্যোগে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ আমলে গুমের শিকার সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমান। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সমালোচনা করেন এবং সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রণীত গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করার দাবি জানান।
সমাবেশে আখতারুজ্জামানসহ আরও কয়েকজন বক্তব্য দেন।
সমাবেশের সমাপনী বক্তব্যে কর্মসূচির প্রতি সংহতি জানান ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ও জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আযাদ।
তিনি বলেন, পদযাত্রাটি সংসদের সামনে গিয়ে শেষ হবে। এরপর একটি প্রতিনিধিদল সংসদে গিয়ে স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি দেবে।
স্মারকলিপিতে গুম কমিশনের প্রতিবেদনের সুপারিশ বাস্তবায়ন এবং গুমের শিকার ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদাসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হবে।
পদযাত্রায় জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দিন আহমেদ এবং জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান অংশ নেন।
এ ছাড়া আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ ১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা কর্মসূচিতে অংশ নেন।
