কুয়াকাটার একটি হোটেলে এক নারীর সঙ্গে অবস্থানরত পুলিশ কর্মকর্তা জাকির হোসেনকে তার স্ত্রী হাতেনাতে ধরেছেন—এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে স্ত্রীকে ওই নারীকে মারধরের চেষ্টা করতে এবং পরে পুলিশ কর্মকর্তাকে স্ত্রীকে মারধর করতে দেখা যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বাউফলের কয়েকটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পেজে ১৮ সেকেন্ডের ভিডিওটি শেয়ার করা হয়। তবে ভিডিওটি ঠিক কবে ও কখন ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশের এসআই জাকির হোসেন ভোলায় কর্মরত থাকার সময় এক তরুণীকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে একাধিক সন্তান রয়েছে। পরবর্তীতে পটুয়াখালীর দুমকী উপজেলার এক নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে সূত্রের দাবি।
ওই নারীকে নিয়ে কুয়াকাটার একটি হোটেলে অবস্থান করার সময় জাকিরের স্ত্রী সেখানে গিয়ে তাদের দেখতে পান। এরপর স্ত্রী ওই নারীকে মারধরের চেষ্টা করলে জাকির হোসেন তাকে থামাতে গিয়ে স্ত্রীকে মারধর করেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি শনিবার বাউফলের কয়েকটি পেজ থেকে শেয়ার করার পর স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ভিডিওতে স্ত্রীকে নির্যাতনের দৃশ্য দেখা যায়।
পুলিশ সূত্রের বরাতে আরও বলা হয়েছে, চাকরি বাঁচাতে জাকির হোসেন ওই নারীকে বিয়ে করেন এবং বর্তমানে তিনি দুই স্ত্রীকে নিয়ে সংসার করছেন। তিনি বর্তমানে ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) কর্মরত আছেন।
তবে এ বিষয়ে এসআই জাকির হোসেনের বক্তব্য জানা যায়নি।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি বাউফলের নয়। তাই এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু বলতে পারেননি।
