সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পেয়ে রাজধানীর কলাবাগানের বাসায় গিয়ে স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজকে শেষবারের মতো দেখেছেন। স্বামীর মরদেহ দেখে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় সেখানে উপস্থিত স্বজনদের মধ্যেও শোকের আবহ তৈরি হয়।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে কঠোর পুলিশি নিরাপত্তায় প্রিজনভ্যানে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন দীপু মনি। সকাল সোয়া ৯টার দিকে তিনি কলাবাগানের বাসায় পৌঁছান।
সেখানে পৌঁছানোর পর প্রিজনভ্যানে থাকা স্বামীর মরদেহ দেখে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন তিনি। আইনজীবী গাজী ফয়সাল জানান, এই বাসাতেই দীপু মনির সঙ্গে তৌফিক নেওয়াজের প্রথম পরিচয় হয়েছিল।
পরে তৌফিক নেওয়াজের মরদেহ গুলশান আজাদ মসজিদে নেওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
এর আগে বুধবার (১৯ আগস্ট) দীপু মনিকে প্যারোলে মুক্তির জন্য মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন তাঁর মেয়ে তনী দীপাভলী নেওয়াজ। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দীপু মনিকে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তির অনুমতি দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তাঁর প্যারোলের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে রাজধানীর গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে (সাবেক ইউনাইটেড হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনি ও লিভারের বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছিলেন।
