১৭ জুন, ২০২৬
ঢাকা: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আমূল পরিবর্তনের জন্য চারটি মূল স্তম্ভভিত্তিক একটি বিস্তৃত পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে টেকসই শিক্ষা উন্নয়নের একটি নতুন উপাদান।
মঙ্গলবার রাজধানীর র্যাডিসন ব্লু হোটেলে কেমব্রিজ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন আয়োজিত ‘কেমব্রিজ প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট বাংলাদেশ লিমিটেড লঞ্চ ইভেন্ট ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার মাত্র চার মাসের মধ্যে শিক্ষা খাতের জন্য স্পষ্ট দীর্ঘমেয়াদি ভিশন তৈরি করেছে। এ ভিশনের মূল লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম নাগরিক তৈরি, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং শিক্ষাকে আরও বাস্তবমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করা।
চার মূল স্তম্ভ ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ
ববি হাজ্জাজ জানান, শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে:
- পাঠ্যক্রম আধুনিকায়ন
- শিক্ষকদের মানোন্নয়ন
- জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো
- বিভিন্ন শিক্ষা ধারার মধ্যে সমন্বয়
এছাড়া প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং ভবিষ্যতের চাকরির দক্ষতা শেখানোকেও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
২৭টি শিক্ষা ধারার সমন্বয়
প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বর্তমানে দেশে ২৭টিরও বেশি ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষা ধারা রয়েছে। এগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন একটি সাধারণ মানদণ্ড প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। মাদ্রাসা, বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যাতে সমান সুযোগ পায় এবং মৌলিক জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের বৃহৎ কর্মশক্তির জন্য বিশ্বমানের পেশাদার উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কেমব্রিজের শিক্ষক প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামসহ আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।
প্রতিমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষাকে সম্পূর্ণরূপে রূপান্তরের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।
