প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজে সমৃদ্ধ ডিমকে ‘প্রাকৃতিক মাল্টিভিটামিন’ বলছেন বিশেষজ্ঞরা
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের ক্ষেত্রে ফল ও শাকসবজির গুরুত্ব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সচেতনতা রয়েছে। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, সুষম খাদ্য নিশ্চিত করতে প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজসমৃদ্ধ অন্যান্য খাবারেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সেই তালিকায় অন্যতম জনপ্রিয় খাবার হলো ডিম।
সম্প্রতি স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিয়মিত ডিম খাওয়া শরীরের জন্য বিভিন্ন উপকার বয়ে আনতে পারে। বিশেষজ্ঞরা ডিমকে প্রায়ই “প্রকৃতির মাল্টিভিটামিন” হিসেবে উল্লেখ করেন, কারণ এতে উচ্চমানের প্রোটিনের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও খনিজ উপাদান বিদ্যমান।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ডিমের পুষ্টিগুণ শরীরের দৈনন্দিন চাহিদা পূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। এতে থাকা প্রোটিন পেশি গঠন ও টিস্যু মেরামতে সাহায্য করে। পাশাপাশি বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত খাদ্যতালিকায় ডিম অন্তর্ভুক্ত করলে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান পেতে পারে। এ কারণে এটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সকালের নাশতা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
স্বাস্থ্য গবেষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ডিমে থাকা পুষ্টি উপাদান শরীরের শক্তি উৎপাদন, কোষের কার্যক্রম এবং সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে। তবে ব্যক্তিভেদে স্বাস্থ্যগত অবস্থা, বয়স এবং চিকিৎসা-সংক্রান্ত প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস নির্ধারণ করা উচিত।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য শুধু একটি নির্দিষ্ট খাবারের ওপর নির্ভর না করে সুষম ও বৈচিত্র্যময় খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করা প্রয়োজন। ডিম সেই সুষম খাদ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হতে পারে।
তবে চিকিৎসকদের পরামর্শ, যাদের বিশেষ স্বাস্থ্য সমস্যা, অ্যালার্জি বা খাদ্যসংক্রান্ত বিধিনিষেধ রয়েছে, তারা নিয়মিত ডিম গ্রহণের আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেবেন।
