ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় ব্যবহৃত পেট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস)। সংস্থাটি সতর্ক করেছে, নতুন কোনো সংঘাত শুরু হলে এই সীমিত মজুত যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।
ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতের পর যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্রভাণ্ডারে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস)।
গবেষণা সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের পেট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এবং থাড (THAAD) প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় অর্ধেক ব্যবহার করেছে।
সিএসআইএসের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের আগে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আনুমানিক ২ হাজার ৩৩০টি পেট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ছিল। বর্তমানে সেই সংখ্যা কমে প্রায় ৭৫৯ থেকে ৮২৭টিতে নেমে এসেছে।
একইভাবে, সংঘাত শুরুর আগে মার্কিন বাহিনীর কাছে আনুমানিক ৪৫২টি থাড ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। বর্তমানে এ সংখ্যা ২৩৪ থেকে ২৭৮টির মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
সিএসআইএস বলেছে, এসব পরিসংখ্যান যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের ২০২৭ অর্থবছরের বাজেটসংক্রান্ত নথি এবং অন্যান্য প্রকাশ্য তথ্য বিশ্লেষণ করে প্রস্তুত করা হয়েছে।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি সতর্ক করে বলেছে, ভবিষ্যতে নতুন কোনো বড় সামরিক সংঘাত শুরু হলে বর্তমান ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার জন্য কঠিন পরীক্ষা হয়ে দাঁড়াতে পারে। একই সঙ্গে মজুত কমে যাওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
সূত্র: ডন
