লা লিগায় প্রতিপক্ষের ফাউলের শিকার হওয়ার দিক থেকে গত কয়েক মৌসুমে শীর্ষে রয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘এএস’-এর হিসাবে, ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে ২০২৬-২৭ মৌসুমের শুরু পর্যন্ত লা লিগায় ২২৬ ম্যাচে তিনি ৪৯১ বার ফাউলের শিকার হয়েছেন।
ভিনিসিয়ুসের ওপর প্রতিপক্ষের নির্ভরতা মূলত তাঁর ড্রিবলিং ও বাঁ প্রান্ত দিয়ে দ্রুত আক্রমণে ওঠার কারণে। চলতি মৌসুমের প্রথম দুই ম্যাচেও তাঁকে ১০ বার ফাউল করা হয়েছে। এস্পানিওলের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৮ বার এবং রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে পরের ম্যাচে ২ বার ফাউলের শিকার হন তিনি।
এই সময়ে লা লিগায় সবচেয়ে বেশি ফাউলের শিকার হওয়ার তালিকায় ভিনিসিয়ুসের পরেই রয়েছেন ভিয়ারিয়ালের মিডফিল্ডার দানি পেরেয়ো। তবে ভিনির চেয়ে তিনি ৪৩ ম্যাচ কম খেলেছেন।
ভিনিসিয়ুসকে ফাউল করার পর প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের কার্ড দেখার হারেও বড় পার্থক্য রয়েছে বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালের সঙ্গে।
‘এএস’-এর হিসাবে, লা লিগায় ভিনিসিয়ুস গড়ে ১৬ বার ফাউলের শিকার হওয়ার পর তাঁকে ফাউল করা প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় একটি হলুদ কার্ড দেখেছেন। ইয়ামালের ক্ষেত্রে গড়ে মাত্র ৩টি ফাউলের পর একটি হলুদ কার্ড দেখানো হয়েছে।
লাল কার্ডের ক্ষেত্রেও দুই খেলোয়াড়ের ব্যবধান রয়েছে। ভিনিসিয়ুসের ক্ষেত্রে গড়ে ৬৮টি ফাউলের পর তাঁকে ফাউল করা প্রতিপক্ষ একজন লাল কার্ড দেখেছেন। ইয়ামালের ক্ষেত্রে গড়ে ১১টি ফাউলের পর একটি লাল কার্ড হয়েছে।
২০১৯-২০ মৌসুম থেকে চ্যাম্পিয়নস লিগেও সবচেয়ে বেশি ফাউলের শিকার হওয়া খেলোয়াড় ভিনিসিয়ুস। এই প্রতিযোগিতায় তাঁকে মোট ১৩১ বার ফাউল করা হয়েছে।
তবে চ্যাম্পিয়নস লিগে ভিনিসিয়ুস ও ইয়ামালের ক্ষেত্রে কার্ডের হিসাব ভিন্ন। সেখানে দুজনের ক্ষেত্রেই গড়ে প্রতি তিনটি ফাউলের বিপরীতে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড় একটি হলুদ কার্ড দেখেছেন।
ভিনিসিয়ুস ২০১৮-১৯ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের মূল দলের হয়ে লা লিগায় ১৮ ম্যাচ খেলেছিলেন। পরের মৌসুম থেকে তিনি নিয়মিতভাবে মূল দলের হয়ে লিগে খেলতে শুরু করেন। তাই ‘এএস’ ২০১৯-২০ মৌসুম থেকে পরিসংখ্যানটি হিসাব করেছে।
রিয়ালের হয়ে নিয়মিত খেলার পাশাপাশি ভিনিসিয়ুসের ড্রিবলিং ও আক্রমণাত্মক ভূমিকা তাঁকে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বানিয়েছে। চলতি মৌসুমের শুরুতেও ফাউলের এই প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।
