সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের শহীদ পরিবারগুলোকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সম্মানিত করার উদ্যোগ নেওয়ায় তিনি আসিফ মাহমুদের প্রশংসা করেন।
রাজধানীতে ইসলামিক ফাউন্ডেশন আয়োজিত ইসলামী বইমেলায় ‘শাপলা কর্নার’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মামুনুল হক এ কথা বলেন। তিনি জানান, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বসে প্রথমবারের মতো শাপলা চত্বরের শহীদ পরিবারগুলোকে সম্মাননা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়ায় আসিফ মাহমুদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ।
মামুনুল হক শাপলা চত্বরের আত্মত্যাগকে জাতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের প্রেরণার সঙ্গে ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের আত্মত্যাগের সম্পর্ক রয়েছে।
জুলাই আন্দোলনের শহীদদের মতো শাপলার শহীদদেরও পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়ার দাবি সংসদ ও রাজপথে অব্যাহত রাখার কথা জানান তিনি।
মামুনুল হক বলেন, দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর শাপলা স্মৃতি সংসদ শহীদদের একটি প্রামাণ্য তালিকা তৈরি করেছে। ‘শহীদনামা’ নামে প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থে ওই তালিকা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শাপলা হত্যাকাণ্ডের মামলা এবং শহীদদের পরিচয় শনাক্তের ক্ষেত্রে তালিকাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
অনুষ্ঠানে শাপলা স্মৃতি সংসদের সদস্যসচিব মাওলানা কামালউদ্দীনসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও ধন্যবাদ জানান মামুনুল হক। পাশাপাশি শাপলার চেতনা তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে দেশজুড়ে সাংস্কৃতিক ও তথ্যচিত্র প্রদর্শনের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
