লিগস কাপ থেকে বিদায়ের পর মেজর লিগ সকারেও হারের ধাক্কা খেল লিওনেল মেসির ইন্টার মায়ামি। ন্যাশভিলের মাঠে ৪-১ গোলে হেরে টানা তৃতীয় পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে মায়ামি। ম্যাচে মেসি একটি গোলে সহায়তা করলেও পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারেননি।
জিততে পারলে ইস্টার্ন কনফারেন্সের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে ওঠার সুযোগ ছিল মায়ামির। কিন্তু বড় ব্যবধানে হেরে শীর্ষে থাকা ন্যাশভিলের সঙ্গে তাদের পয়েন্টের ব্যবধান এখন ৫।
এর আগে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মায়ামি হেরেছিল টানা দুই ম্যাচ। মেক্সিকান ক্লাব মনতেরেরির কাছে ২-১ এবং লিওনের কাছে ৩-২ গোলে হারের পর এবার ন্যাশভিলের বিপক্ষেও রক্ষণভাগের দুর্বলতা স্পষ্ট হয়েছে।
ঘরের মাঠে ১৭ মিনিটে অ্যান্ডি নাজারের গোলে এগিয়ে যায় ন্যাশভিল। ২৩ মিনিটে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পায় মায়ামি। পেনাল্টি পায় তারা। কিন্তু মেসির নেওয়া শট ঠেকিয়ে দেন ন্যাশভিলের গোলরক্ষক ব্রায়ান শোয়াকে।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে অবশ্য সমতা ফেরায় মায়ামি। মেসির বাড়ানো নিখুঁত পাস থেকে ডান পায়ের শটে গোল করেন ভেনেজুয়েলার মিডফিল্ডার তেলাসকো সেগোভিয়া।
বিরতির পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় ন্যাশভিল। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম ১১ মিনিটেই দুটি গোল করে তারা।
৪৯ মিনিটে হানান মোখতার গোল করে ন্যাশভিলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। আট মিনিট পর, ৫৭ মিনিটে স্যাম সারিজের গোলে ব্যবধান হয় ৩-১। এরপর ৬৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে মায়ামির ম্যাচে ফেরার সম্ভাবনা শেষ করে দেন মোখতার।
শেষ পর্যন্ত ৪-১ গোলের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে এমএলএসের শীর্ষ দল ন্যাশভিল।
এই ম্যাচে দীর্ঘদিন পর মেসির বাবা হোর্হে মেসির মৃত্যুর পর প্রথমবারের মতো ইন্টার মায়ামির শুরুর একাদশে ছিলেন আর্জেন্টাইন তারকা। লুইস সুয়ারেজও শুরু থেকে খেলেন। তবে মেসির একটি অ্যাসিস্টের পরও দলকে জেতাতে পারেননি তিনি।
ম্যাচের ৫৯ মিনিটে হলুদ কার্ড দেখেন মেসি। যোগ করা সময়ে গোলের কাছাকাছি গিয়েও সফল হননি। তাঁর পরপর দুটি শট পোস্টে লাগে। পরে ডান পায়ের শটে বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।
