আল আইনের বিপক্ষে ৪–০ গোলে হেরেছে আল নাসর। মহাদেশীয় ক্লাব প্রতিযোগিতার গ্রুপ পর্বের এই ম্যাচে হারের পাশাপাশি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে আল আইন মিডফিল্ডার মাতিয়াস প্যালাসিওসের ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও আলোচনায় এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আল নাসরে যোগ দেওয়ার পর রোনালদোর ক্যারিয়ারে এটি সবচেয়ে বড় ব্যবধানের হার। ম্যাচে আল আইন ২–০ গোলে এগিয়ে থাকার সময় বাঁ প্রান্ত থেকে আসা ক্রসের অপেক্ষায় স্বাগতিকদের বক্সে ঢুকছিলেন রোনালদো। তখন তাঁকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন প্যালাসিওস।
প্যালাসিওসের বাধার প্রতিক্রিয়ায় রোনালদোও কনুইয়ের চাপে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডারকে ফেলে দেন। রোনালদো নিজেও পড়ে যান। এরপর দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, প্যালাসিওস পরে দাবি করেন, তিনি রোনালদোকে শুধু তাঁর বয়সের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেছিলেন যে বলের দখল তিনিই আগে পাবেন। এরপরই তাঁদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ে।
রোনালদো ও প্যালাসিওসের মধ্যে এর আগেও মাঠে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। ২০২৪ সালের নভেম্বরে এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে আল নাসর ও আল আইনের ম্যাচে কর্নার থেকে বল দখলের লড়াইয়ে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়েছিল।
ওই ঘটনায় রোনালদো মাঠে পড়ে যাওয়ার পর প্যালাসিওসের গলা চেপে ধরেছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে রেফারির কাছে রোনালদোর বিরুদ্ধে কনুই দিয়ে আঘাতের অভিযোগ করেন প্যালাসিওস। তবে ফাউল দেওয়া হয়নি; বরং প্যালাসিওস হলুদ কার্ড দেখেছিলেন।
সেই ম্যাচে রোনালদো গোল করেছিলেন এবং আল নাসর ৫–১ গোলে জয় পেয়েছিল।
আল আইনের বিপক্ষে ম্যাচে রোনালদো ফ্রি-কিক থেকে গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। তিনি মোট তিনটি শট নেন, তবে কোনো গোল পাননি। ফলে তাঁর ৯৭৯ গোলের পরিসংখ্যানও আর বাড়েনি।
২০২২ সালে ব্রেন্টফোর্ডের বিপক্ষে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ৪–০ গোলের হারের পর গত রাতের হারটি রোনালদোর ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় ব্যবধানের হার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে আল নাসরে অভিষেক হয় রোনালদোর। তবে ক্লাব ক্যারিয়ারে এর চেয়েও বড় ব্যবধানে হারার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। ২০২১ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড লিভারপুলের কাছে ৫–০ গোলে এবং ২০১০ সালে রিয়াল মাদ্রিদ বার্সেলোনার কাছে একই ব্যবধানে হেরেছিল।
