নেপাল-তিব্বত সীমান্ত এলাকায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর ষষ্ঠ দিনেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভয়াবহ এই দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা প্রায় ৮০০ জনে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আড়াই হাজারের বেশি মানুষ।
সোমবার (৩১ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।
দুর্যোগের পর নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে নিখোঁজ স্বজনদের খুঁজতে হাসপাতালের দেয়ালে তাদের ছবি লাগিয়ে দিচ্ছেন পরিবারের সদস্যরা। প্রিয়জনের সন্ধান পাওয়ার আশায় তারা অপেক্ষা করছেন।
এদিকে ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে উদ্ধারকারীরা একটি গর্ত তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। ওই গর্ত দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে নিখোঁজদের সন্ধান করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ আড়াই হাজারের বেশি মানুষের মধ্যে কয়েকশ জন নেপালের বিভিন্ন জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের কর্মী বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া নিখোঁজদের মধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন।
ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যেও কয়েকটি সফল উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে কিছু মানুষকে জীবিত উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। এতে নিখোঁজদের স্বজনদের মধ্যে আশার সঞ্চার হয়েছে।
চীনের নিয়ন্ত্রণাধীন তিব্বতে সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা ১৬ জন। সেখানে আরও ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের প্রায় অর্ধেকই বিদেশি নাগরিক বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিবিসির চীনবিষয়ক সংবাদদাতা জানিয়েছেন, শিগাতসে শহরের কর্মকর্তারা বলেছেন, উদ্ধারকারী দলগুলো এখন পর্যন্ত কাউকে জীবিত খুঁজে পায়নি।
নেপাল-তিব্বত সীমান্তের এই দুর্যোগে বন্যার পাশাপাশি ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেছে। নিখোঁজদের সন্ধানে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
