সাম্প্রতিক মাসগুলোতে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের সমালোচনা এবং ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল পরিচালিত যুদ্ধের বিরোধিতা করায় স্পেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনায় ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও স্পেনের প্রতি বিভিন্ন দেশের মানুষের সমর্থন লক্ষ করা গেছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের নীতির প্রকাশ্য সমর্থক হিসেবে পরিচিত আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মাইলেইর অবস্থানের কারণে দেশটির প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন বেশ কয়েকজন ইসরায়েলি রাজনীতিক ও ফুটবল সমর্থক।
সোমবার (২০ জুলাই) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএর বরাতে দেশটির শীর্ষ আলোচক ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, “ফিলিস্তিনি জনগণের পক্ষে স্পেনের খেলোয়াড়দের অবস্থান এবং ইরানের প্রতি স্পেনের সমর্থন দেখিয়েছে যে স্বাধীনতা ও দৃঢ়তা সেই বুদ্ধিমান ও সম্মানিত জাতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য।”
তিনি আরও বলেন, “স্পেনের ১-০ ব্যবধানে জয় শুধু স্পেনের জনগণের হৃদয়েই আনন্দ এনে দেয়নি, বরং বিশ্বের বহু স্বাধীন, স্বনির্ভর ও ন্যায়বিচারপ্রিয় জাতির মনেও আনন্দ সৃষ্টি করেছে।”
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেইও স্পেনের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক মাসগুলোতে আগ্রাসন, গণহত্যা ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে স্পেন জাতীয় দলের আচরণ এবং স্পেনের সামগ্রিক অবস্থান ছিল মূল্যবান।”
রোববার অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে নিজেদের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জেতে স্পেন। এই জয়ের পর দেশটির বিভিন্ন শহরে ব্যাপক উদযাপন শুরু হয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বিষয়টি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
