অ্যাপলের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জন টার্নাস বছরে মূল বেতন হিসেবে ৩০ লাখ ডলার পাবেন। এর পাশাপাশি কর্মদক্ষতার ভিত্তিতে আর্থিক পুরস্কার ও ইক্যুইটি অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার সুযোগ রয়েছে তার। সব মিলিয়ে ২০২৭ অর্থবছরে টার্নাসের মোট পারিশ্রমিক প্রায় ৫ কোটি ৮০ লাখ ডলারে পৌঁছাতে পারে।
অ্যাপলের নির্বাহী নেতৃত্বে পরিবর্তনের পর টার্নাস ও সাবেক সিইও টিম কুকের পারিশ্রমিক কাঠামো প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। যুক্তরাষ্ট্রের সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) জমা দেয়া অ্যাপলের নথিতে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
এসইসিতে দাখিল করা নথি অনুযায়ী, ২০২৬ অর্থবছরের বাকি সময়ের জন্য টার্নাসকে ২৫ লাখ ডলারের রেস্ট্রিক্টেড স্টক ইউনিট (আরএসইউ) দেয়া হয়েছে।
এছাড়া ২০২৭ অর্থবছরের জন্য তার বার্ষিক পারিশ্রমিকের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এর ৭৫ শতাংশই কর্মদক্ষতাভিত্তিক।
মূল বেতনের বাইরে থাকা এসব আর্থিক সুবিধা ও ইক্যুইটি অ্যাওয়ার্ডের কারণে তার মোট পারিশ্রমিক মূল বেতনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি হতে পারে।
অ্যাপলের নেতৃত্বে পরিবর্তনের অংশ হিসেবে গতকাল জন টার্নাস প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের সিইও টিম কুক এ পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
তবে অ্যাপল থেকে পুরোপুরি সরে যাচ্ছেন না কুক। তিনি এখন নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত কাজে যুক্ত থাকবেন।
নেতৃত্বের এই পরিবর্তনের সঙ্গে টার্নাসের নতুন পারিশ্রমিক কাঠামোও প্রকাশ করেছে অ্যাপল।
