দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। একই সময়ে দক্ষিণ সিরিয়ার কুনেইত্রা প্রদেশের গ্রামীণ এলাকায় কৃষিজমিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) এসব হামলার খবর জানিয়েছে লেবানন ও সিরিয়ার বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।
লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, ইসরাইলি সেনারা দক্ষিণাঞ্চলের হুলা এলাকায় হামলা চালিয়েছে। এ ছাড়া যুদ্ধবিমান দিয়ে টাইর জেলার ওয়াদি আদশিত আল-কুসাইর ও মানসুরি শহরেও হামলা চালানো হয়।
লেবাননের সংবাদমাধ্যম আল-মানারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাবাতিয়েহ আল-ফাওকার উপকণ্ঠেও ইসরাইলি যুদ্ধবিমান হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে একটি ইসরাইলি সামরিক হেলিকপ্টার আলি আল-তাহের এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি অভিযান পরিচালনা করে।
আল-মানারের দাবি, এসব হামলায় ফসফরাস শেলসহ নিষিদ্ধ অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এসব দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
অন্যদিকে সিরিয়ার স্থানীয় গণমাধ্যম বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, কুনেইত্রা এলাকায় ইসরাইলি বাহিনী হামলা চালিয়েছে। এর ফলে দক্ষিণাঞ্চলের আল-রাফিদ শহরের কৃষিজমিতে বড় ধরনের আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
আগুনে কৃষিজ ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হামলায় কোনো হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে ইসরাইলের সঙ্গে লেবাননের সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন হিজবুল্লাহর নেতা শেখ নাইম কাসেম। তাঁর ভাষায়, এ ধরনের আলোচনার কাঠামো মার্কিন-ইসরাইলি দাবির কাছে লেবাননের সার্বভৌমত্ব সমর্পণের শামিল।
লেবানন সরকারকে ইসরাইলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা থেকে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। নাইম কাসেম এই আলোচনাপ্রক্রিয়াকে ‘ব্যর্থ’ ও ‘অপমানজনক’ বলেও আখ্যায়িত করেছেন।
